৬টি উপায়ে চিনে নাও নকল ডিম

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার নিয়মিত আনুষঙ্গ হলো ডিম। আমিষ, ক্যালসিয়াম, খনিজ,ভিটামিন,স্নেহ মিলিয়ে সুষম একটি খাবার। ব‍্যাচলার হতে শুরু করে ছোট বড় সবার প্রিয় এই খাবার ও ভেজালের হাত থেকে বাঁচতে পারে নি। তাই আজকে এই নকল ডিম চিহ্নিত নিয়ে আজকের এই ব্লগ ।

ক্রয়ের আগে করণীয় :
১।কৃত্রিম ডিম হাতে নিয়ে নাড়লে তরলের ছলকানির মত শব্দ পাওয়া যাবে।
২।কৃত্রিম ডিম এর খোসা স্বাভাবিকের চেয়ে উজ্জ্বল,শক্ত ও অমসৃণ হয়।
৩।কৃত্রিম ডিমের খোসা ভঙুর হয়।
৪।কৃত্রিম ডিমে স্বাভাবিক আঁশটে গন্ধ থাকে না
৫।কৃত্রিম ডিমের আশেপাশে কীট পতঙ্গ অনুপস্থিত থাকে।
৬।আলোক উৎসের সামনে কৃত্রিম ডিমের অভ্যন্তরভাগ কালো দেখায়।

ক্রয়ের পরে:
১।কৃত্রিম ডিমের কুসুম ও সাদা অংশ প্রায় মিশ্রিত অবস্থায় থাকে।
২।কৃত্রিম ডিম ভাজি করার সময় স্পর্শ ব্যতীত ডিম ছড়িয়ে পড়ে।
৩।কৃত্রিম ডিম ভাজলে স্বাভাবিক বাদামী রঙ সৃষ্টি হয় না।
৪।কৃত্রিম ডিম কখনো পোচ করা যায় না।
৫।কৃত্রিম ডিম সিদ্ধ করলে কুসুম ছড়িয়ে পড়ে।

কৃত্রিম ডিমের রাসায়নিক গঠন:
১।খোসা তৈরী হয় ক্যালসিয়াম কার্বনেট, জিপসাম,প্যারাফিন ও কৃত্রিম রঙ দিয়ে
২।সাদা অংশ তৈরী হয় সোডিয়াম এলগিনয়েড,জিলেটিন,বেঞ্জোয়িক এসিডের সমন্বয়ে।
৩।কুসুম তৈরী হয় ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড ও কৃত্রিম রঙের মিশ্রণে।
তাছাড়া আরো রাসায়নিক পদার্থ যেমন পারদ , সিসার মত পদার্থ থাকে যা আমাদের কিডনী ও যকৃত এর জন্য ক্ষতিকর।
বাজারজাত নকল ডিমকে আসল ডিম থেকে পৃথক করা একটু কষ্টসাধ্য। তাই আমাদের উচিৎ নিজেরা সচেতন থাকা এবং আপনজনদের সচেতন রাখা ।

২০০৪ সালে সর্বপ্রথম চীনে বাণিজ্যিক ভাবে কৃত্রিম ডিম উৎপাদন করা হয়।তখন সরকারী বেসরকারি চাপে এর প্রসারে বিঘ্ন ঘটলেও সমসাময়িক বাজারে নকল ডিমের ব্যাপক উপস্থিতির কথা সার্বজনীন।

 

26/01/2019

0 responses on "৬টি উপায়ে চিনে নাও নকল ডিম"

Leave a Message

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top
PathGhor © 2019. All rights reserved.
X