যে ১০ উপায়ে পড়াশোনার প্রতি ভালোবাসা জন্মাবে

পড়ালেখা ব্যাপার টা ই কেমন যেন একটু একঘেয়ে টাইপের। সবকিছু করতে ইচ্ছে করলে ও পড়ার টেবিলে ই আমার হোঁচট খাই। ভালো লাগে না পড়াশোনা। কিন্তু পড়াশোনার কি কোনো বিকল্প ব্যবস্থা আছে? না তো, এর তো বিকল্প নেই। তাহলে কী করবো? কিভাবে পড়বো? এই প্রশ্ন গুলো মনে ঘুরপাক খেতে থাকে। আসলে পড়াশোনা ও মজার যদি তাকে মজার করে নেওয়া যায়।

সামনে ই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। এর পরপরই শুরু হবে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা যা এক বিভীষিকার নাম। কিন্তু একটু কৌশলী হলে ই দেখা যায় ভালো করা খুবই সহজ। আর পড়াশোনা কে মজাদার খাবার এর মত করে নিতে হলে ও প্রয়োজন কিছু সহজ পদ্ধতির যা একজন বিদ্যার্থীকে এনে দিতে পারে পড়াশোনার প্রতি প্রেম।
যে কাজগুলো এক্ষেত্রে করা উচিৎ তা নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন।

১.মুখস্থ নয় বুঝে পড়ুনঃ অধিকাংশ শিক্ষার্থী ই না বুঝে গৎবাঁধা মুখস্থ করে ফেলে সবকিছু যা মেধাকে ধ্বংস করে। বুঝে পড়া সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়। বুঝে পড়া আপনাকে পরবর্তী টপিকপ পড়ার আগ্রহ যোগাবে।

২.একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়ুনঃ একটানা পড়াশোনা একঘেয়েমির সৃষ্টি করে। একটানা না পড়ে একটু সময় বিরতি নিন। নিজেকে একটু চাঙ্গা করে নিতে এক কাপ চা বা কফি নিতেই পারেন।

৩.উদাহরণ গুলো বাস্তব জগতের সাথে মিলিয়ে পড়ুনঃ বেশিরভাগ সময় উদাহরণ গুলো মনে রাখা খুবই কষ্টকর হয়। এক্ষেত্রে আপনি একটু কৌশলী হতে পারেন। আপনি আপনার বাস্তব পৃথিবীর সাথে মিলিয়ে উদাহরণ গুলোকে পড়ুন। এতে আপনি কৌতুকের ছলে ও পড়াশোনা করতে পারবেন।

৪.বিভিন্ন উৎস থেকে পড়ুনঃ একটি নির্দিষ্ট উৎস সবসময় একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের জন্য যথেষ্ট হয় না। একটি নির্দিষ্ট টপিক ভালোভাবে বুঝে পড়ার জন্য আপনাকে একাধিক উৎস থেকে ধারণা নিতে হবে। একাধিক উৎস থেকে পড়ার সময় কমন ব্যাপার গুলো ও খুব সহজেই আয়ত্ত্ব হয়ে যাবে।

৫.নিজের মাঝে জ্ঞান বদ্ধ করে না রেখে অন্যকে বুঝিয়ে দিনঃ কোনো টপিক নিজে পড়ে যেটুক বোঝা যায় অন্যকে বুঝিয়ে তার থেকে ও বেশি বোঝা যায়, কনসেপ্ট ক্লিয়ার হয়। এতে করে পড়াশোনা করার আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। নিজের মধ্যে তাই জ্ঞান কে সীমাবদ্ধ না রেখে অন্যকে বুঝিয়ে দিন।

৬.মজার ছলে পড়ুনঃ পড়াশোনা কে পড়াশোনার মতো সিরিয়াসলি না নিয়ে মজার ছলে পড়ুন। পড়াশোনা কে চমকপ্রদ বিষয়গুলোর সাথে যুক্ত করে মজার ছলে পড়ুন।

৭.সময় চ্যালেঞ্জ করে পড়ুনঃ পড়াশোনা শুরু করার সময় একটা নির্দিষ্ট সময় এর চ্যালেঞ্জ নিন। কত সময়ের মধ্যে কতটুকু শেষ করবেন লিখে রাখুন। দ্রুত সময়ের মাঝে শেষ করার জন্য এটি খুবই ফলপ্রসূ পদ্ধতি।

৮.গ্রুপ মেম্বারদের সাথে শেয়ার করে পড়ুনঃ গ্রুপে পড়াশোনা করার অনেকগুলো বেনিফিট রয়েছে। যখন একটি বিষয় একটি গ্রুপে শেয়ার করে পড়বেন এই বিষয়ে সকলের মতামত গুলো প্রত্যেকের বুঝে পড়ার লেভেলটা উন্নত করবে। এছাড়া ও যে সমস্যা গুলোর উদ্ভব হবে তা গ্রুপের সবাই মিলে সহজেই সমাধান করতে পারবেন।

৯.নিবিড় মনোযোগ দিয়ে পড়ুনঃ পড়াশোনা যখনই করবেন নিবিড় মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। অবাঞ্চিত শব্দ কে পরিহার করা যায় এমন একটি পরিবেশে নিবিড় মনোযোগ দিয়ে পড়লে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেক কিছুই বুঝে পড়ে ফেলতে পারবেন।

১০.বইয়ের সাথে ভালোবাসা তৈরি করুনঃ সর্বোপরি বইয়ের সাথে ভালোবাসা তৈরি করে নিন। যত যাই করুন বইয়ের প্রতি ভালোবাসা আপনাকে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে অনেক বেশি ভূমিকা পালন করবে। আর ভালোবাসা তৈরির জন্য আপনার একাগ্রতার অনেক বেশি প্রয়োজন।

26/01/2019

0 responses on "যে ১০ উপায়ে পড়াশোনার প্রতি ভালোবাসা জন্মাবে"

Leave a Message

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top
PathGhor © 2019. All rights reserved.
X